Showing posts with label Uncategorized. Show all posts
Showing posts with label Uncategorized. Show all posts

Nov 5, 2019

প্রধানমন্ত্রী আইসিটি সেক্টরে তিনটি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইসিটি সেক্টরে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত তিনটি পুরষ্কার পেয়েছেন।

পুরষ্কারগুলি হ’ল – “ডব্লিউআইটিএসএ গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯” “ডিসিডি এপিএসি অ্যাওয়ার্ড – ২০১৯” এবং “গভইনসাইডার ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড – ২০১৯”।
সোমবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) নিয়মিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের শুরুতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং এর সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম প্রধানমন্ত্রীকে এই পুরস্কার তুলে দেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এবং হাই-টেক পার্কের অবকাঠামো তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে “WITSA গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯” দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
৬ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত আর্মেনিয়ার ইয়েরেভেনে অনুষ্ঠিত একুশতম কর্মসূচিতে ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স (ডব্লিউআইটিএসএ) বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে এই পুরষ্কার হস্তান্তর করেছে।
এদিকে, আইসিটি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের “৪ টিয়ার জাতীয় তথ্য কেন্দ্র (৪টিডিসি) প্রকল্প” ডেটা সেন্টার কনস্ট্রাকশন ক্যাটাগরিতে “ডিসিডি এপিএসি অ্যাওয়ার্ড ২০১৯” ভূষিত করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংস্থা ডেটা সেন্টার ডায়নামিক্স (ডিসিডি) “৪ টিয়ার জাতীয় ডেটা সেন্টার (৪টিডিসি) প্রকল্পকে এই পুরষ্কার দিয়েছে।”
সাংহাইয়ের ডিসিডি-র দেশ পরিচালক জনসন ইয়াং আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলমের হাতে এই পুরষ্কার তুলেছিলেন যখন তিনি চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর চীনের শেনজেন শহরে ৪ টিয়ার ডেটা সেন্টারের উত্পাদনকারী সংস্থা জেডটিই কর্পোরেশন লিমিটেডের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করার সময় একটি প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন।
“৪ টিয়ার জাতীয় তথ্য কেন্দ্র (৪টিডিসি) প্রকল্প” গাজীপুর হাই-টেক পার্কে বিশ্বমানের ডেটা সেন্টার স্থাপনের কাজটি সম্পন্ন করেছে।
এছাড়াও, কল সেন্টার – আইসিটি বিভাগের a2i প্রোগ্রাম দ্বারা বাস্তবায়িত সেন্ট্রাল ডেটা, সার্ভিস এবং অভিযোগ ম্যানেজমেন্টের “৩৩৩”, গভইনসাইডার কর্তৃক এশিয়ার “সেরা নাগরিক বাগদান প্রকল্প” হিসাবে গৃহীত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স সেন্টারে (ইউএনসিসি) এক অনুষ্ঠানে এ পুরস্কারটি ১৬ অক্টোবর দেওয়া হয়েছিল।

Oct 12, 2019

এন্ড্রোয়েড ফোনেই রান করান সি/সি++ প্রোগ্রাম। ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়ারা অবশ্যই দেখবেন।

এন্ড্রোয়েড ফোনেই রান করান সি/সি++ প্রোগ্রাম। ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়ারা অবশ্যই দেখবেন।


আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। আপনারা যারা ইন্টারমিডিয়েটে পড়েন তারা নিশ্চয় জানেন যে ICT বইয়ের চতুর্থ চ্যাপ্টার হচ্ছে প্রোগ্রামিং নিয়ে যেখানে বেসিক সি প্রোগ্রামিং নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কেমন হয় যদি বোর্ডের বা টেস্ট পেপারের প্রোগ্রামিং রিলেটেড প্রশ্নের উত্তর আপনার হাতের মোবাইলেই রান করিয়ে দেখে নিতে পারেন সঠিক হলো কি না? নিশ্চয়ই ভালো হয়, তাই না? তাহলে চলুন শুরু করি আজকের লেখা।
সি প্রোগ্রাম রান করানোর বেশ কয়েকটি অ্যাপ প্লে-স্টোরে পাওয়া যায়। তার মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে- C4Droid এবং CPP Droid. তবে, C4Droid পেইড এবং লেটেস্ট এন্ড্রোয়েড (Android 9.0) ডিভাইস গুলোতে কাজ করে না। তাই আমরা CPP Droid নিয়েই আলোচনা করব। অ্যাপটি প্লে-স্টোর ডাউনলোড লিঙ্ক পোস্টের নিচে দেওয়া আছে। পোস্টটি পড়া শেষ হলে ডাউনলোড করে নিবেন।
তো অ্যাপটি ডাউনলোড করার পর কিছুক্ষণ লোডিং হবে। তারপর নিচের মতো আসবে।
Editor ট্যাবে আপনি প্রোগ্রাম লিখতে পারবেন।
যেমন আমি ফ্যাক্টোরিয়াল নির্ণয়ের প্রোগ্রামি লিখলাম।
প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে Diagnostics ট্যাবে দেখাবে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিচের চিত্রে মার্ক করা বাটনে ট্যাপ করুন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে কম্পাইল হলে Compilation finished লেখা আসবে, অন্যথায় ধরে নিতে হবে যে প্রোগ্রামে কোথাও ভুল আছে।

কম্পাইল হয়ে গেলে নিচে মার্ক করা প্লে বাটনে ট্যাপ করুন। প্রোগ্রামটি রান করবে।
দেখুন আমার প্রোগ্রাম রান করেছে এবং ৫  ইনপুট করে এর ফ্যাক্টোরিয়াল ১২০ পাওয়া গেছে।
এ ভাবে আপনি এন্ড্রোয়েড ফোনেই সি প্রোগ্রাম রান করাতে পারবেন। আজকের মতো এতটুকু। কথা হবে অন্য কোনো পোস্টে। ততক্ষণ ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেয।

যারা এসএসসি ও এইসএসসি এক্সাম দিবেন তারা পোস্টটি দেখুন

যারা এসএসসি ও এইসএসসি এক্সাম দিবেন তারা পোস্টটি দেখুন


পরিক্ষা সামনে কিছু ভালো লাগেনা, আর মাত্র তিন চার মাস বাকী আছে।
কিন্তু পরিক্ষার চিন্তায় ভালো লাগে না, সারাবছর তো পড়ালেখা করি নাই, মেয়েদের পেছনে পেছনে ঘুরতে ঘুরতে বছরের শেষ প্রান্তে চলে এসেছে।
বাবার কতো টাকা শেষ করলাম প্রাইভেট পড়ে কতো খাতা কলম নষ্ট করলাম তার শেষ নেই, সেই সাথে সাথে সময় ও নষ্ট অনেক করলাম, এবং মাথাটাও নষ্ট করলাম ; পরিক্ষায় কি লিখবো বুঝতেছিনা।
আচ্ছা এই রকমের পরিস্থিতিতে পরেন নাই এমন কেউ আছেন?
হয়তো যাদের পরিাক্ষর প্রস্তুতি ভালো, এবং ভালো স্টুডেন্টস সেই বলতে পারে আমি আছি।
কিন্তু দেখা যায় অধিকাংশ ছেলেমেয়ারাই এরকম পরিস্থিতিতে পরে।
আপনি সারাবছর পড়েন নাই, এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করে কি লাভ বলেনতো?
কোনো লাভ নেই, লাভ ছিলো যখন সময় গুলো নষ্ট করতেছিলেন তখন যদি ভবিষ্যতের ভাবনা টা ভাবতেন।
অতীতে যা…ই করছেন না কেনো সেটা বর্তমানে ভাববেন না, একদম ভুলে যাবেন, এবং বর্তমান সময় টাকে মুল্য দিন তাহলেই ভালো ফলাফল করতে পারবেন।
যদি বলেন মাত্র ৩-৪ মাস পরে কোনোদিন ও ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব নয়, তাহলে আমি বলবো আপনি বোকার চেয়ে ও বোকা।
আপনি যদি এই তিন চারমাস ১৪ ঘন্টা লেখা পড়া করেন তাহলে আপনাকে ভালো রেজাল্ট করা থেকে কেউ আটকাতে পারবে না, আপনি শ্রেফ চ্যাটিং করার সময় যেরকম মোবাইলের স্কিনের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা যেরকম মনোযোগ সহকারে বসে চ্যাটিং করেন, সেভাবে পড়ার টেবিলে বইয়ের সাথে চ্যাটিং করুন ;তাহলেই হলো।
যারা বলতেছেন, আমি যা পড়ছি সারা বছর তা দিয়ে পাশ করতে পারবোনা ……………
আমি বলি কি, আপনি এরকম চিন্তা বাদ দিয়ে আপনি যাস্ট মোবাইল, বন্ধু বান্ধব বাদ দিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ দিন, তাহলেই আপনি ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন, ভালো রেজাল্ট না করেন অত্যন্ত পাশ তো করতে পারবেন!
এখন হয়তো বুঝতছেন না যে, একটা পয়েন্টের কতো মূল্য ভালো একটা কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য একটা পয়েন্টের কতোটা মূল্য।
বন্ধু বান্ধব, মেয়ে, মোবাইল এগুলো সব স্কিপ করে আজই দুটো রুটিন বানিয়ে ফেলেন, ১৪ঘন্টা লেখাপড়া করার জন্য, হয়তো এগুলো ছাড়তে একটু কষ্ট হবে, এবং এই ১৪ঘন্টার পরিবেশে এসে ও টিকে থাকাটা কষ্টকর হবে আপনার জন্য ;
তবে জেনে রাখুন জীবনে কিছু পেতে হলে কষ্ট ছাড়া সম্ভব নয়।
মাঠে কৃষক রোদ বৃষ্টির মধ্য হাল চাষ করে, তারপরেই সে সোনার ফসল লাভ করে।
পরিক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে আপনাকে ও এরকম পরিশ্রম করতে হবে তাহলে দিনশেষে আপনিও কৃষকের মতো খুশীতে নাচতে পারবেন।

জীবনে সাফল্য অর্জন করতে সবচেয়ে দরকারী বন্ধু হলো রুটিন

জীবনে সাফল্য অর্জন করতে সবচেয়ে দরকারী বন্ধু হলো রুটিন


আমরা সবাই ই  চাই সাফ্যল্যর ছোঁয়া পেতে তাইনা কি?
কিন্তু কিভাবে সাফল্যের স্পর্শ লাভ করা যায়, তা কি কখনো ঠা………ন্ডা মাথায় ভেবে দেখাছেন?
অনেকেই হয়তো দেখেন নি, তা দেখবেন কেনো সাফল্য অর্জন করতে চান, কিন্তু কিভাবে করবেন তা ঠিক জানেন না।
অনেকটা সিনেমার মতো যখন সিনেমা দেখি তখন নিজেকে হিরো ভাবি কিন্তু ২৪ ঘন্টা পরে নিজেকে জিরো ভাবি, আর কিচ্ছু মনে থাকে না, আমরা বাঙালিদের এটাই নিত্যদিনের অভ্যাস।
যদি কেউ মটিভেশনাল কথা শোনায় এবং সাফল্য অর্জনের রাস্তা বাতলে দেয় তখন নিজের গায়ের ভিতরে জোস উঠে যায়, যে সাফল্য অর্জন করেই ফেলবো!
কিন্তু দেখা যায় যে ২৪-৪৮ ঘন্টা পর আর কিছুই মনে থাকে না।
আমাদের এককান দিয়ে ডুকে আরেক কান দিয়ে তা বের হতে বেশী সময় লাগেনা।
এমনই আমরা বাঙালিরা।
আমারা বাঙালিরা কিছু কাজ করতে মোটেই ভুলি না, ফেসবুকে ঘুমানোর আগেই নোটিফিকেশন চেক করা, ঘুম থেকে উঠেই নোটিফিকেশন টা চেক করি এটা আমাদের কান দিয়ে, মাথা দিয়ে বের হয়না।
প্রতি রাতে একটু মুভি বা গান না শুনলে ঘুম আসেনা, আমাদের যতো খারাপ অভ্যাস গুলো মাথায় ইনস্টল দিয়ে ভরপুর করে রেখেছি আমরা।
এগুলো মাথা থেকে আনইন্সটল করে দিতে পারলেই দেখবেন লাইফটা একটা অন্য রাস্তায় মোর নিবে, কি বিশ্বাস হচ্ছে না?
এগুলো ত্যাগ করার জন্য আপনাকে এক বন্ধুর সহায়তা নিতে হবে আর সেই বন্ধুটি কে জানেন?
সে বন্ধুটি হলো রুটিন।
আপনি সাফল্য অর্জন করার জন্য দুটি রুটিন রাখবেন!
এখন বলতে পারেন, দুটি রুটিন কেনো? ………
ওয়েট ভাই, বলতেছি ; আপনার সপ্তাহের ৬দিনের জন্য একটি রুটিন করবেন এবং ছুটির দিনের একটি রুটিন করবেন।
এবং যদি মুসলিম হন তাহলে অবশ্যই রুটিনে পাচওয়াক্ত নামাজের টাইম রাখবেন, এই পাচওয়াক্ত নামাজ আপনাকে অনেক অনেক সাফল্য অর্জনের স্পর্শ পাওয়ার জন্য বড় ভূমিকা পালন করবে।
তা আবার কিভাবে? বলতেই পারেন, আচ্ছা এটার ব্যাখ্যা এখন দিবো না, অন্য একদিন ইনশাআল্লাহ বলবো।
আপনার কি ডেইলি রুটিন আছে? সত্যি বলবেন।
না থাকলে আজই দুইটা রুটিন বানিয়ে নিন আর সেটা আপনার পড়ার টেবিলের সামনে টানিয়ে দিন।
আর একটা ছবি তুলে মোবাইলের ওয়ালপেপারে সেট করে দিন, এতে কি হবে?
এতে আপনি যখনই মোবাইল স্কিন অন করবেন তখনই আপনার রুটিন দেখতে পাবেন এবং সেই রুটিন ফলো করার একটা ইচ্ছে চলে আসবে।
অবশেষে একটি কথাই বলবো, নিজের জীবনের সাফল্য অর্জনের জন্য একটু মাথা খাটান, তাহলেই সাফল্যের নাগাল পাওয়া কষ্টকর হবেনা।

Oct 7, 2019

PSC scholarship result 2020: DPE Teletalk Results



PSC scholarship result 2020: DPE Teletalk Results

PSC Scholarship Result 2020
PSC Scholarship Result 2020 will be published after the three months of PSC Results. We know that PSC result 2019 has published on December 28, 2019.  DPE Directorate of Primary education board will provide the scholarship to the meritorious students. The Primary scholarship result will be published in March 2019What is PSC Scholarship?
PSC Scholarship is the government reward program that is given to the meritorious students of the Primary School Certificate Exam. Those who have passed the PSC Exam 2019 with the highest results, PSC Scholarship will be provided to them. PSC Scholarship result is provided according to the merit. So, to get PSC Scholarships, Students have to obtain the highest marks in his districts.
It is notable that, PSC Result is given to all districts of Bangladesh. So, It can be easily achievable.

PSC Scholarship Result 2020 Published Date

PSC Scholarship Results will be published after the three months of PSC Examination 2019. According to this calculation, PSC Examination result will be published on March 2020.  According to the information of Education Ministry and Directorate of Primary Education DPE, the result will be published on March 24, 2020.

PSC Scholarship Result Statistics

As we have mentioned earlier, PSC Scholarship result has given a large number of students. In the recent years of 2019, more than 1 Lac Students are given scholarship results. Almost 15 lakh students took part in PSC Exam. This year, we hope the number of Scholarships will increase. PSC Result will be given to 64 districts of Bangladesh.

PSC Scholarship Types

There are two categories of scholarships in PSC. All the scholarship is given according to the merit of the students. The two grades of Scholarship is
  • Talent pool Scholarship
  • General Scholarship
The students who obtain talent pool scholarship will get 300 BDT every month. General Scholarship Achiever will get 225 BDT every month. This reward will be given every six months.

PSC Scholarship Results Check

There is only a website where you can check the PSC Scholarship results. To check the result, you need to know about the Examination System. There are two types of Examination. General Education and Madrasah Education which is also known as Ebtedayi Education. You need to know about the Districts of the candidates. While checking the result online, you have to enter the Thana name of candidates. Then a passing year and roll number of the students.
To check the result, you should follow the below procedures.

How to Check PSC Scholarship Result 2019

PSC Scholarship Result 2019 will be checked by following the process.
The return screen will let you know about the PSC Scholarship Result 2020.

Ebtedayi Scholarship Result 2020

Ebtadayi Scholarship Results 2020 will be published almost the same time as PSC Scholarship results. If you are from Madrasah Education Board, You may eligible for the Ebtedayi Scholarship Result 2020. You can check the result same as PSC Result. The difference is you have to select the ebtedayi Scholarship from the very first option. Other procedure remains same.

PSC Scholarship Result 2020 PDF Download

DPE Directorate of Primary Education board also provides the PDF version of the results. We have provided the PDF here. You can download the PDF here. You will get the updated results here according to the Thana and districts.
That’s all about the PSC Scholarship Result 2020. If you don’t get your result yet, let me know through comments. We are waiting for you.

Oct 6, 2019

যারা নতুন টিউশন শুরু করেছেন বা শুরু করতে চাচ্ছেন,তাদের জন্য কিছু টিপস্

যারা নতুন টিউশন শুরু করেছেন বা শুরু করতে চাচ্ছেন,তাদের জন্য কিছু টিপস্।

১. দেওয়ালে পোস্টার লাগিয়ে টিউশন খুজবেন না।এই পদ্ধতিতে প্রাপ্ত টিউশনি থেকে সম্মান এবং সম্মানী, দুটোই কম পাওয়া যায়।

২. টিউশন পাওয়ার ক্ষেত্রে নিজের শিক্ষক বা কলেজ ও ভার্সিটির বড় ভাইদের সহায়তা নিন।প্রয়োজনে কোন ভালো কোচিং সেন্টারে যোগদান করুন।সেখান থেকেই টিউশনি পাবেন

৩) ৩ দিন বা ৪ দিনের টিউশন নেওয়ার চেষ্টা করবেন। (এতে নিজের জন্য সময় বাচে)

৪. টিউশন শুরুর আগেই অভিভাবকদের সাথে ছুটি ও সম্মানীগত সকল বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করে নিবেন।

৫.সম্মানী নির্ধারনের আগে ছাত্র/ছাত্রীর পারিবারিক আয়ের উৎস সম্পর্কে জেনে নিবেন,আপনার সম্মানী যেনো অভাবের সংসারে গোদ এর উপর বিষ ফোড়া না হয়।

৬. টিউশন টিকিয়ে রাখতে চাইলে, ছাত্র বা ছাত্রীর সাথে শুধু পেশাগত সম্পর্কই রাখুন,কোনো আবেগের সম্পর্কে জড়াবেন না।

৭. ছাত্র বা ছাত্রীর সাথে আপনার সম্পর্ক হবে নাতিশীতোষ্ণ।খুব কঠোর না,আবার খুব নরমও না।

৮. নিজেকে সর্ব বিষয়ে সবজান্তা প্রমানের চেষ্টা করবেন না।তাতে আপনার উপরই চাপ বাড়বে। ১ টা বিষয়ের বদলে গার্ডিয়ান ১০টা বিষয় হাসি মুখে চাপিয়ে দেবে।  আপনি চেয়ে চেয়ে দেখবেন। কিন্তু কিছু বলার থাকবে না।তাই অনেক সময় পারা জিনিসও না পারার ভান করা শ্রেয়।

৯. কখনোই অভিভাবকদের আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখাবেন না। যেইটুকু আপনার সাধ্য,সেইটুকুই প্রকাশ করবেন। কারন স্বপ্ন পূরন না হলে অচিরেই আপনার পকেট কেটে যাবে,সাথে সম্মান যাবে ফ্রীতে।

১০. কখোনোই  ভালো সাজতে গিয়ে বা আবেগের ঠ্যালায় সময়ের চেয়ে অধিক সময় পড়াবেন না। কারন ৮০% অভিভাবকদেরই তেষ্টা কখোনোই মেটে না।
আপনি যতো বেশী সময় দিবেন,তারা ততোবেশী সময় চাইবে।
একসময় তারা ভুলেই যাবে যে আপনি ১ ঘন্টা পড়াতেন।আপনাকে আকাইম্মা ভেবে,  মনে মনে তারা ১ ঘন্টাকে ২ ঘন্টা বানিয়ে দিবে,এবং পারলে ৩ ঘন্টা পড়ানোর দাবি করে বসবে।।

১১. সমস্যা থাকলে gap দিবেন। পুরে সময় করে পুষিয়ে দিবেন।  কিন্তু তারপরও যদি অভিভাবক তাতে রাগ করলে টিউশন ছেড়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ কারো রিযিক আটকে রাখেন না।

১২. কোন টিউশনিই ছোট নয়,শুরুটা অল্প সম্মানী দিয়ে হতে পারে,তাতে মন খারাপ করবেন না।অভিজ্ঞতার সাথে সুনাম ও সম্মানী দুটোই বাড়বে।

১৩. টিউশনি করে নিজের খরচ চালাতে লজ্জাবোধ করবেন না। মনে রাখবেন, আজকের হোম টিউটররাই আগামী দিনের ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,প্রভাষক বা সফল ব্যবসায়ী☺

Oct 5, 2019

রাবিতে যারা ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসবা তাদের জন্য স্পেশাল পোস্ট

#রাবিতে_যারা_ভর্তি_পরীক্ষা_দিতে_আসবা_তাদের_জন্য_স্পেশাল পোস্ট:

👍দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজশাহী আসার উপায়:
#ঢাকা_টু_রাজশাহী:
☝ধুমকেতু এক্সপ্রেস -সকাল ৬ টা
শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ,
👍সিল্কসিটি এক্সপ্রেস (১৪:৪০ pm) রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ
👍পদ্মা এক্সপ্রেস(২৩:১০ pm)মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ।
যাদের বাসে সমস্যা তারা যদি এক্সামের দিন ট্রেন বন্ধ থাকে চিন্তা করো না।ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ গামী সব ট্রেন নাটোর স্টেশন ধরে।নাটোর থেকে রাজশাহী বাসে ৪৫ মিনিট লাগে।
কল্যাণপুর, গাবতলী,
মহাখালী থেকে
প্রতিদিন রাজশাহীতে প্রতি একঘন্টা, ১/২ ঘন্টা পরপর যেসকল বাস আসে -
*দেশ ট্রাভেলস
*ন্যাশনাল ট্রাভেলস
*হানিফ পরিবহন
*শ্যামলী পরিবহন
*গ্রামীণ পরিবহন
এখানে উল্যেখ্য যে এডমিশন সিজনে ঢাকার যাত্রীদের চাপ বেশি থাকে তাই বিড়ম্বনা এড়াতে অগ্রিম টিকেট করে রাখা ভাল।
#দিনাজপুর_টু_রাজশাহী :
পার্বতীপুর স্টেশন থেকে নিম্নের ট্রেনগুলো রাজশাহীর
উদ্দেশ্যে ছাড়ে
*বরেন্দ্র এক্সপ্রেস: সকাল ৭.০০ টা
*তিতুমীর এক্সপ্রেস -বিকেল ৪:০০টা
💎#চট্টগ্রাম_টু_রাজশাহী
প্রতিদিন সন্ধ্যায় এবং সকালে এ.কে. খান এবং গরীবুল্লাহ শাহ মাজার রোড থেকে বেশ কয়েকটি বাস রাজশাহীতে যাত্রা করে।
*শ্যামলী
*হানিফ
*দেশ ট্রাভেলস
গ্রামীণ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস,সৌদিয়া,সোনিয়া
যারা চট্টগ্রাম বিভাগ এর যে কোনো জেলা থেকে আসবা তারা প্রথম এ ঢাকা আসতে হবে।।।।।।
ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকা হয়ে আসতে হবে।।।।।
#সিলেট_টু_রাজশাহী :
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের পাশের বাসস্টান্ড থেকে প্রতিদিন সন্ধায় এবং সকালে নিম্নলিখিত বাসগুলো
রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়-
*সামিজনি পরিবহন
*শ্যামলী পরিবহন
*রইস পরিবহন
*ভাই ভাই নাইস পরিবহন
💎#খুলনা_টু_রাজশাহী ।
#ট্রেন
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস সকাল ৬:৩০ মিনিট
* সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস বিকেল ৪:০০ টা
বাস
#রংপুর_টু_রাজশাহী
আরর রংপুরের যাত্রীদের ট্রেনে আসতে
হলে পার্বতীপুর দিয়ে আসতে হবে
বাস,ট্রেন
পাবর্তীপুর থেকে সকাল ৭:৪৫ টায় ছাড়ে বরেন্দ্র ট্রেন, রবিবার বন্ধ,তিতুমির বুধবার বন্ধ পাবর্তীপুর থেকে ১৫:৪৫ ছাড়ে
বিআরটিসি সহ বিভিন্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন পর্যাপ্ত বাস রয়েছে
#ময়মনসিংহ_টু_রাজশাহী :
প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ মিনিটে এবং বিকেল ৩ টায় দুটি বাস
রাজশাহীতে আসে।
*শামীম পরিবহণ
*তুহিন পরিবহণ
#নোয়াখালী_টু_রাজশাহী :
মাইজদি নিউ বাসস্টান্ড থেকে একসাথে ৩টি বাস
রাজশাহীতে আসে।
ট্রেনে আসতে চাইলে প্রথমে ঢাকা আসতে হবে ট্রেনে।।।।তারপরে ঢাকা টু রাজশাহী।।।।।।
#বরিশাল_টু_রাজশাহী :
বরিশাল বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টা ও
বিকেল ৩ টায় নিচে উল্লিখিত কয়েকটা বাস রাজশাহীর
উদ্দেশ্যে রওনা দেয়-
*পদ্মা
*গোল্ডেন লাইন
* তুহিন
#এবার জেনে নিই রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন।
স্টেশন থেকে নেমে ব্যাটারিচালিত অটো/রিকশা করে ২০ মিনিটের পথ। রিকশায় স্টেশন থেকে মেইনগেট ২৫-৩০ টাকার বেশি না, আর অটোর ক্ষেত্রে তা ১০ টাকা
#মূলত সবগুলো বাসই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়েই যায়। তাই আপনার আবাসন ব্যবস্থা যদি ভার্সিটি/কাজলা/বিনোদপুর/তালাইমারী/রুয়েট হয়ে থাকে তাহলে মূল শহরে না গিয়ে ভার্সিটির পাশেই বাস থেকে নেমে পরবেন। আর যদি আপনার আবাসন ব্যবস্থা যদি শহরের ভেতরে হয়ে থাকে তবে
রেলগেট নেমে রিকশা/অটো মাধ্যমে আপনার
গন্তব্যে পৌছাবেন......
#ভর্তি পরীক্ষার সিট পরবে যেসব ভবন এ
১) শহীদুল্লাহ কলাভবন
২) মমতাজউদ্দীন কলাভবন
৩)রবীন্দ্র কলাভবন
৪) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ভবন
৫) প্রথম বিজ্ঞান ভবন
৬) দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবন
৭) তৃতীয় বিজ্ঞান ভবন
৮) চতুর্থ বিজ্ঞান ভবন
৯) কৃষি অনুষদ ভবন
১০) চারুকলা ভবন।
১১)রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল & কলেজে।।
১২)শেখ রাসেল স্কুল
১৩)আই বি এ ভবন
পরীক্ষার সময় রাবিতে থাকা নিয়ে সব সমস্যার সমাধান::
🎓 ভর্তি পরিক্ষার সময় রাজশাহীতে থাকার কয়েকটা টা অপশন
#হোটেল : রাজশাহী শহরের জিরোপয়েন্ট,
রেলগেট, বানেশ্বর, বর্ণালী, লক্ষীপুর, নিউ
মার্কেট, সাহেব বাজার, মণিচত্বর প্রভৃতি জায়গায় এ গ্রেড থেকে সি গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে। চাইলে আপনার পছন্দমত হোটেলে জায়গা করে নিতে পারেন।
#ভার্সিটি_হল ও স্থানীয় মেস :
৩৩০০০ ছাত্রছাত্রীর ১ বিশাল পরিবার রাবির।।।তারা কোনো না কোনো হল বা মেসে থাকে।।।।
হল এবং মেসে থাকার জন্য পরিচিত বড় ভাই/আপু/বন্ধুর মাধ্যমে থাকতে হবে। এর জন্য আপনার নিজ নিজ জেলা সমিতির তথ্য কালেক্ট করে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। মেয়েদের হলে গণরুম থাকায় সহজে মেয়ে পরীক্ষার্থীরা থাকার সুযোগ পায়।।।।শুধু কোনো আপুর রেফারেন্স হলেই হয়।।।
👉
👉সিনিয়রদের সর্বোচ্চ রেস্পেক্ট করবা।
👉
#কেন্দ্রীয়_মসজিদ : কথায় আছে যার কেউ নাই তার উপরওয়ালা আছেন। এই প্লেস টা অনেকটা সেরকমই। কেন্দ্রীয় মসজিদের বিশাল বারান্দায় ছেলেরা অনায়সেই একটা রাত পার করে দিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজনীয়জিনিষপত্র সাবধানতার সাথে রাখবেন।এছাড়া ছেলেদের হলগুলোতে ও মসজিদ আছে।।
এখানে বলে রাখি বাস,ট্রেনের টিকিট এবং
হোটেলের রুম অগ্রিম বুকিং দিতে হবে। অন্যথায় নাও পেতে পারেন। কারণ এসময় প্রচুর কালোবাজারি হয়ে থাকে। পরীক্ষার আগমুহূর্তের কিছু কথা বলি, অনেকেই বিভিন্ন বিল্ডিং কিংবা নিজের আসন ইত্যাদি খুঁজে পাননা, আবার এমনও অনেকেই আছেন যারা কাউকে জিজ্ঞেসও করেননা। মনে রাখবেন আপনাকে সাহায্য করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন বড় ভাই ও আপুরা,এছাড়া বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিএনসিসির সদস্যরা থাকবেন। আপনার যেকোনো প্রয়োজনে তাদেরকে বলুন, সমাধান পেয়ে যাবেন।ধন্যবাদ
(সংগ্রহীত)

সকালে পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন ! জেনে নিন এর উপকারিতা

সকালে পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন ! জেনে নিন এর উপকারিতা


হ্যালো বন্ধুরা ,
পানি সবাই পান করে থাকি । কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ঠিক কখন আমাদের পানি পান করতে হবে ।আজ বলবো সকালে পানি পান করার উপকারীতা সম্পর্কে!প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা খুবই জরুরি। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ অভ্যাসটি যদি রপ্ত করা যায় তবে অনেক ধরনের রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। আর এজন্যই দিনের শুরুর এই এক গ্লাস পানিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ‘স্বাস্থ্যকর’, ‘বিশুদ্ধ’, ‘সুন্দর’ ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন।

আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেঠে পানি খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে।১. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেয়া উচিত।

২. প্রতিদিন সকালে অন্তত ১৬ আউন্স হালকা গরম পানি খেলে শরীরের মেটাবলিসম ২৪% বেড়ে যায় এবং শরীরের ওজন কমে।
৩. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।
৪. প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশী ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।
৫. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস পানি খেলে বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আর্থাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে।
৬. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয়ে যায় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই।
৭. সকালে পানির বদলে জুস বা অন্য পানীয় না খাওয়াই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
ধন্যবাদ
ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন.

Sep 28, 2019

যেকোনো নিদৃষ্ট তারিখ কি বার ছিলো আসুন নির্নয় করি মাএ ১ মিনিটে

যেকোনো নিদৃষ্ট তারিখ কি বার ছিলো আসুন নির্নয় করি মাএ ১ মিনিটে

বৃষ্টি ভেজা শরৎ আকাশ, শিউলি ফুলের গন্ধ৷ মা আসছেন আবার ঘরে, দরজা কেন বন্ধ? পুজো এলো তাইতো আবার বাজনা বাজায় ঢাকী৷ গুনে দেখো পুজো আসতে আরো ছয়’দিন বাকি৷

সকলকে শরৎ শিউলিফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের পোস্ট।
আমরা অনেক সময় কোনো একটি ঘটনার সন ও তারিখ জানি। কিন্তু সেই তারিখে কী বার ছিল তা জানতে ইচ্ছে করে। সেই ইচ্ছে করলেও হাতের কাছে এমন কোনো উপায় থাকে না, যাতে করে চট্ করে সেই বারের নামটা জানা যায়। ফলে জানার ইচ্ছেটাকে সেখানেই মাটিচাপা দিতে হয়। তেমনটি যাতে না ঘটে, সে জন্য নির্দিষ্ট কোনো তারিখে কী বার ছিল তা জানার একটা উপায় এখানে জানানোর চেষ্টা।
আমরা জানি,জানুয়ারি মাস ৩১ দিনে। এর অর্থ হচ্ছে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিটা বার আসবে ৩ দিন দেরি করে। এ ৩ দিন দেরি
হবে জানুয়ারি মাসে একই তারিখের বারের তুলনায়। কারণ, ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনে এবং ২৮ দিনে ঠিক ৪ সপ্তাহ। তাহলে ফেব্রুয়ারির জন্য এই ৩ সংখ্যাটি আমরা মনে রাখি। আসলে এই ৩ হচ্ছে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের দিনের সংখ্যার পার্থক্য।
একইভাবে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের পার্থক্য ৩ দিন- ফেব্রুয়ারি ২৮ দিনে, মার্চ ৩১ দিনে। অতএব মার্চের জন্য মনে রাখতে হবে ৩ সংখ্যাটি। আবার যেহেতু মার্চ থেকে
এপ্রিলে দিনের সংখ্যা ১ দিন কম, সেহেতু মার্চের তুলনায় এপ্রিলের একই তারিখের বারগুলো আসবে ৭-১ বা ৬ দিন পিছিয়ে বা দেরিতে। অতএব এপ্রিলের জন্য মনে রাখা চাই ৬ সংখ্যাটি। এভাবে কোন মাসের একই তারিখ আগের মাসের তুলনায় কয়দিন দেরিতে আসবে তা বিবেচনা করে নিচের
ছকটি তৈরি করা হয়েছে।
এই ছকটি মনে রেখে কয়েকটি গাণিতিক ধাপ সম্পন্ন করে আমরা বলে দিতে পারবো কোন তারিখে কী বার ছিল।
প্রথম ধাপ :
যে তারিখটির বারের নাম জানতে চান তা ধরুন। মনে করুন
আমরা ১৯৯৭ সালের ২২ ডিসেম্বর কী বার ছিল তা জানতে চাই।
দ্বিতীয় ধাপ :
উপরের ছক থেকে মাসের নামের সংখ্যাটি নিন। ডিসেম্বর মাসের জন্য এ সংখ্যা ৫।
তৃতীয় ধাপ :
এবার তারিখের সংখ্যাটি নিন। এখানে এ সংখ্যাটি ২২।
চতুর্থ ধাপ :
সনের সংখ্যা থেকে শেষ দুটো অঙ্ক দিয়ে গঠিত সংখ্যাটি নিন। এখানে ৯৭।
পঞ্চম ধাপ :
সনের সংখ্যার শেষ দুই অঙ্কের সংখ্যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে ভাগফল দাঁড়ায় ২৪।
নোটঃ এটা ঐ শতকে কততম লিপিয়ার সাল সেটা যানার জন্য। করান লিপিয়ার সালে ১ বছর হতে ৩৬৬ দিন লাগে।
ষষ্ঠ ধাপ :
উপরে পাওয়া সংখ্যা চারটি একসাথে যোগ করুন :
২২+৫+৯৭+২৪=১৪৮
সপ্তম ধাপ :
পাওয়া যোগফলকে ৭ দিয়ে ভাগ করুন। নোটঃ আমরা জানি ৭ দিনে ১ সপ্তাহ
১৪৮-কে ৭ দিয়ে ভাগ করে ভাগফল পাওয়া গেল২১। আর অবশিষ্ট রইল ১।
অবশিষ্ট হিসেবে পাওয়া সংখ্যাই বলে দেবে নেয়া তারিখে কোন বার ছিল। নিচের তালিকা থেকে জানা যাবে তারিখটি কোন বার হলে অবশিষ্ট কত থাকবে। যেমন আমাদের
দেয়া উদাহরণে অবশিষ্ট ছিল ১। তাই এ বারটি ছিল সোমবার তা ছকই বলে দেবে।

তারিখ থেকে বার বের করার আরো টেকনিক
সূত্র ১ :
যেকোন বৎসরের ১ম ও শেষ তারিখ (১ম
দিন ও শেষ দিন )
সর্বদা একই বার হবে।
অর্থাৎ :
২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি = মঙ্গলবার
ছিল
২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর = মঙ্গলবার
হবে
সূত্র ২ :
Leap year হলে ক্যালেন্ডারে ১ দিন
বাড়ে(ফেব্রুয়ারিতে ১ দিন বাড়ে), তাই ১ দিন
যোগ দিতে হবে। অর্থাৎ Leap year এর ১ম
ও শেষ তারিখ (১ম দিন ও শেষ দিন ) একই বার হবে না। ১ দিন যোগ দিতে হবে।
অর্থাৎ :
২০১৬ = Leap year
২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি = শুক্রবার
হবে
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর = শনিবার
হবে
সূত্র ৩ :
চলতি বৎসরের কোন তারিখ যে বার
ছিল, পরবর্তী বৎসরে সেই তারিখ কি বার হবে??
এক্ষেত্রে ১ দিন যোগ দিতে হবে।
অর্থাৎ :
২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি = মঙ্গলবার
২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি = বুধবার হবে
সূত্র ৪ :
সাধারণত বৎসরের ৩/১, ৪/৪, ৬/৬, ৮/৮,
১০/১০ তারিখগুলো একই বার হয়ে থাকে।
এখানে, ৩/১ = ৩ জানুয়ারি, ৪/৪ = ৪
এপ্রিল, ৬/৬ = ৬ জুন, ৮/৮ = ৮ অগাস্ট, ১০/১০ = ১০ অক্টোবর
অর্থাৎ :
কোন বৎসরের ৩/১ শনিবার হলে ৪/৪, ৬/৬,
৮/৮, ১০/১০ এই
তারিখ গুলোও শনিবার হবে।




প্রশ্ন: ২০১৩ সালের ১ লা জানুয়ারি
মঙ্গলবার হলে ঐ
বৎসরের ১২ ই অক্টোবর কী বার হবে?
উত্তর :
প্রশ্নে ১/১ মঙ্গলবার বলা আছে। এর
দুইদিন পর ৩/১ হবে বৃহস্পতিবার।
আমরা জানি — ৩/১, ৪/৪, ৬/৬, ৮/৮, ১০/১০ তারিখগুলো একই বার হয়ে থাকে।
এখন ৩/১ যদি বৃহস্পতিবার হয় তবে ১০/১০ হবে বৃহস্পতিবার।
(সূত্রানুসারে)
সুতরাং ১২/১০ হবে শনিবার।
জানা তারিখে জানা বার নিয়ে এই নিয়মটি অনুশীলন করে দেখুন ঠিক কি না।
পোস্টি ভালো লাগলে আলতো করে লাইক বাটনে একটা চাপ দিয়ে যাইয়েন।
কেউ না বুঝলে কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ

Sep 18, 2019

সফলতাই সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ


"সফলতাই সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ"
 "সফলতাই সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ"    কেউ যদি তোমাকে অপমান করে , যদি বলে তোমাকে দিয়ে হবেনা , কিংবা যদি বলে তুমি পারবে না .. কিছু বলোনা । এসব কথার জবাব কথায় না দিয়ে কাজের মাধ্যমে দেও । সফল হওয়ার চেষ্টা করো । তুমি যখন সফল হবে সে তখন এমনিতেই অপমানিত হয়ে যাবে !  .  আমার কলেজের এক ক্লাসমেট আমাকে বলেছিল " তুই কোথাও চান্স পাবিনা !! " সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম । খুব খারাপ লেগেছিল । কিছু বলিনি সেদিন । পাবলিকে চান্স পেয়েছিলাম আমি ই ! কিন্তু সে কোথাও ই চান্স পায়নি ! তাকে মুখে জবাব দিতে হয়নি । কাজেই সে জবাব পেয়ে গেছিল ।  .  আমি পরীক্ষা দিয়েছিলাম মেডিকেল , ঢাবি , জাবি ও জবিতে । এর মধ্যে জাবি ও জবি .. এই দুই ভার্সিটিতে চান্স পাই । চবিতে ফর্ম টেনেও পরীক্ষা দেইনি জাবিতে চান্স পেয়ে যাওয়ার কারণে ।  .  আমার কলেজের সেই ক্লাসমেট ছেলেটি ঐ কথাটা এমন একটা সময়ে বলেছিল যার কিছুদিন পরই ঢাবি , জাবি , জবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে । এরকম একটা মুহুর্তে প্রয়োজন উৎসাহ । অথচ ঐ মুহুর্তে এমন একটা কথাই আমার মনোবল ভেঙ্গে দিতে বসেছিল ! তাছাড়া আরো কিছু কলেজমেট দের কথাবার্তা ও মনোবল ভেঙ্গে দিচ্ছিল । তাদের ধারণা ছিল , " আমাদের মত গ্রামের কলেজের স্টুডেন্টদের জন্য মেডিকেল, ঢাবি , জাবি, জবি ............. না " ! আমার প্রশ্ন ছিলো একটাই " যদি কোথাও চান্স না পাই তবে গ্রাম থেকে ফার্মগেটে এসে কোচিং করে , হোস্টেলে থেকে ৫০-৬০ হাজার টাকা কেন খরচ করছি ? ! " ঐ সময়ে আব্বু - আম্মু দুজনই কঠিন অসুস্থতা থেকে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে কেবল ফিরেছেন । অনেক স্বপ্ন দেখছিলেন আমাকে নিয়ে । তাদের আমি কি জবাব দিব চান্স না পেলে ! ?  .  মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে পড়তে থাকলাম । পাশাপাশি আল্লাহর ইবাদত করতে লাগলাম । আল্লাহ দয়া করলেন । ফার্স্ট টাইমেই জাবিতে , জবিতে চান্স পেয়ে গেলাম । ভর্তি হলাম জাবিতে । আর ঐ ছেলেটা রয়ে গেলো কোথাও চান্স না পাওয়াদের দলে ।  .  .  আরেকটি ঘটনাঃ  .  একবার আমার স্কুলের ফার্স্ট বয় আমাকে কোনো একটা কারনে বলেছিল " পারলে ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে দেখা ! " উল্লেখ্য , তখন ক্লাসে আমার রোল ছিলো ৩ । সেদিন কিছু বলতে পারিনি । কিন্তু পরের পরীক্ষাতে ঠিকি ফার্স্ট হয়েছিলাম আমি ই !   .  .  তাই কেউ অপমান করলে , অকারণে কথা শোনালে তার উপর ক্ষেপে না গিয়ে নিজে সফল হয়ে তার মাথা ও নিচু করে দিন । সাথে সাথে নিজের জীবনটাও সুন্দর হয়ে গেলো ।   .  জেদ করবেন এসব ক্ষেত্রে । এ ধরণের জেদ জীবনে আপনাকে কয়েকধাপ এগিয়ে দিবে । কে কি বললো তা পাত্তা দেয়ার টাইম নাই । জীবন আপনার , তাই সিদ্বান্ত ও আপনার ! সকল সমালোচনার জবাব হোক , সফলতা !   .  #সামিউল  #জাহাঙ্গীরনগর_বিশ্ববিদ্যালয়

কেউ যদি তোমাকে অপমান করে , যদি বলে তোমাকে দিয়ে হবেনা , কিংবা যদি বলে তুমি পারবে না .. কিছু বলোনা । এসব কথার জবাব কথায় না দিয়ে কাজের মাধ্যমে দেও । সফল হওয়ার চেষ্টা করো । তুমি যখন সফল হবে সে তখন এমনিতেই অপমানিত হয়ে যাবে !
.
আমার কলেজের এক ক্লাসমেট আমাকে বলেছিল " তুই কোথাও চান্স পাবিনা !! " সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম । খুব খারাপ লেগেছিল । কিছু বলিনি সেদিন । পাবলিকে চান্স পেয়েছিলাম আমি ই ! কিন্তু সে কোথাও ই চান্স পায়নি ! তাকে মুখে জবাব দিতে হয়নি । কাজেই সে জবাব পেয়ে গেছিল ।
.
আমি পরীক্ষা দিয়েছিলাম মেডিকেল , ঢাবি , জাবি ও জবিতে । এর মধ্যে জাবি ও জবি .. এই দুই ভার্সিটিতে চান্স পাই । চবিতে ফর্ম টেনেও পরীক্ষা দেইনি জাবিতে চান্স পেয়ে যাওয়ার কারণে ।
.
আমার কলেজের সেই ক্লাসমেট ছেলেটি ঐ কথাটা এমন একটা সময়ে বলেছিল যার কিছুদিন পরই ঢাবি , জাবি , জবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে । এরকম একটা মুহুর্তে প্রয়োজন উৎসাহ । অথচ ঐ মুহুর্তে এমন একটা কথাই আমার মনোবল ভেঙ্গে দিতে বসেছিল ! তাছাড়া আরো কিছু কলেজমেট দের কথাবার্তা ও মনোবল ভেঙ্গে দিচ্ছিল । তাদের ধারণা ছিল , " আমাদের মত গ্রামের কলেজের স্টুডেন্টদের জন্য মেডিকেল, ঢাবি , জাবি, জবি ............. না " ! আমার প্রশ্ন ছিলো একটাই " যদি কোথাও চান্স না পাই তবে গ্রাম থেকে ফার্মগেটে এসে কোচিং করে , হোস্টেলে থেকে ৫০-৬০ হাজার টাকা কেন খরচ করছি ? ! " ঐ সময়ে আব্বু - আম্মু দুজনই কঠিন অসুস্থতা থেকে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে কেবল ফিরেছেন । অনেক স্বপ্ন দেখছিলেন আমাকে নিয়ে । তাদের আমি কি জবাব দিব চান্স না পেলে ! ?
.
মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে পড়তে থাকলাম । পাশাপাশি আল্লাহর ইবাদত করতে লাগলাম । আল্লাহ দয়া করলেন । ফার্স্ট টাইমেই জাবিতে , জবিতে চান্স পেয়ে গেলাম । ভর্তি হলাম জাবিতে । আর ঐ ছেলেটা রয়ে গেলো কোথাও চান্স না পাওয়াদের দলে ।
.
.
আরেকটি ঘটনাঃ
.
একবার আমার স্কুলের ফার্স্ট বয় আমাকে কোনো একটা কারনে বলেছিল " পারলে ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে দেখা ! " উল্লেখ্য , তখন ক্লাসে আমার রোল ছিলো ৩ । সেদিন কিছু বলতে পারিনি । কিন্তু পরের পরীক্ষাতে ঠিকি ফার্স্ট হয়েছিলাম আমি ই !
.
.
তাই কেউ অপমান করলে , অকারণে কথা শোনালে তার উপর ক্ষেপে না গিয়ে নিজে সফল হয়ে তার মাথা ও নিচু করে দিন । সাথে সাথে নিজের জীবনটাও সুন্দর হয়ে গেলো ।
.
জেদ করবেন এসব ক্ষেত্রে । এ ধরণের জেদ জীবনে আপনাকে কয়েকধাপ এগিয়ে দিবে । কে কি বললো তা পাত্তা দেয়ার টাইম নাই । জীবন আপনার , তাই সিদ্বান্ত ও আপনার ! সকল সমালোচনার জবাব হোক , সফলতা !
.
#সামিউল
#জাহাঙ্গীরনগর_বিশ্ববিদ্যালয়

Sep 17, 2019

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত তারিখ ভর্তি পরীক্ষা হবে

🎟️ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত তারিখ ভর্তি পরীক্ষা হবেঃ

🎟️ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত তারিখ ভর্তি পরীক্ষা হবেঃ    .🥶🥶🥶  👉🏿 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - ক ইউনিট ২০-০৯-১৯, খ ইউনিট ২১-০৯-১৯ তারিখ, গ ইউনিট ১৩-০৯-১৯ তারিখ, ঘ ইউনিট ২৭-০৯-১৯ তারিখ, চ ইউনিট ১৪-০৯-১৯ তারিখ।  👉🏿 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - ইউনিট-১ ২১-০৯-১৯ তারিখ, ইউনিট-২ ২০-০৯-১৯ তারিখ, ইউনিট-৩ ১৪-০৯-১৯ তারিখ।  👉🏿 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় - ২২/০৯/১৯ থেকে ০৩/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রোফেশনালস্ - ২৫-০৯-১৯ থেকে ২৬-০৯-১৯ তারিখ।  👉🏿 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় - ০২/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় - ১৮/১০/১৯ থেকে ১৯/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় - ০৮/১১/১৯ থেকে ০৯/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় - ১০/১১/১৯ থেকে ১৪/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় - ১৭/১১/১৯ থেকে ২১/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় - ২৬/১০/১৯ থেকে ৩১/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২৬/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় - ২০/১০/১৯ থেকে ২২/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - ০৪/১১/১৯ থেকে ০৮/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি - ২৮/০৯/১৯ তারিখ।  👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ০১/১১/১৯ থেকে ০২/১১/১৯ তারিখ, ০৮/১১/১৯ থেকে ০৯/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ০১/১১/১৯ থেকে ০২/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২০/১২/১৯ থেকে ২১/১২/১৯ তারিখ।  👉🏿 মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২২/১১/১৯ থেকে ২৩/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৬ ডিসেম্বর  👉🏿 হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ০২/১২/১৯ থেকে ০৫/১২/১৯ তারিখ।  👉🏿 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২১/১১/১৯ থেকে ২২/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১৫/১১/১৯ থেকে ১৬/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় - ১৫/১১/১৯ তারিখ।  👉🏿 আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ - ১১/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 মেডিকেল - ০৪/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২৪/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১৮/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১২/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় - ০৫/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি - ১৮/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 আর্মি মেডিকেল কলেজ - ১১/১০/১৯ তারিখ।  👉🏿 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় – ৮ ও ৯ ডিসেম্বর  👉🏿 বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় – ২৯ নভেম্বর  রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় – ৭ ডিসেম্বর  👉🏿 শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ১ ও ২ নভেম্বর  👉🏿 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  👉🏿 খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।  [বি:দ্র: সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে।
 কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত তারিখ ভর্তি পরীক্ষা হবে

👉🏿 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - ক ইউনিট ২০-০৯-১৯, খ ইউনিট ২১-০৯-১৯ তারিখ, গ ইউনিট ১৩-০৯-১৯ তারিখ, ঘ ইউনিট ২৭-০৯-১৯ তারিখ, চ ইউনিট ১৪-০৯-১৯ তারিখ।
👉🏿 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - ইউনিট-১ ২১-০৯-১৯ তারিখ, ইউনিট-২ ২০-০৯-১৯ তারিখ, ইউনিট-৩ ১৪-০৯-১৯ তারিখ।
👉🏿 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় - ২২/০৯/১৯ থেকে ০৩/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রোফেশনালস্ - ২৫-০৯-১৯ থেকে ২৬-০৯-১৯ তারিখ।
👉🏿 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় - ০২/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় - ১৮/১০/১৯ থেকে ১৯/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় - ০৮/১১/১৯ থেকে ০৯/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় - ১০/১১/১৯ থেকে ১৪/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় - ১৭/১১/১৯ থেকে ২১/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় - ২৬/১০/১৯ থেকে ৩১/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২৬/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় - ২০/১০/১৯ থেকে ২২/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - ০৪/১১/১৯ থেকে ০৮/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি - ২৮/০৯/১৯ তারিখ।
👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ০১/১১/১৯ থেকে ০২/১১/১৯ তারিখ, ০৮/১১/১৯ থেকে ০৯/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ০১/১১/১৯ থেকে ০২/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২০/১২/১৯ থেকে ২১/১২/১৯ তারিখ।
👉🏿 মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২২/১১/১৯ থেকে ২৩/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৬ ডিসেম্বর
👉🏿 হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ০২/১২/১৯ থেকে ০৫/১২/১৯ তারিখ।
👉🏿 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২১/১১/১৯ থেকে ২২/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১৫/১১/১৯ থেকে ১৬/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় - ১৫/১১/১৯ তারিখ।
👉🏿 আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ - ১১/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 মেডিকেল - ০৪/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ২৪/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১৮/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১২/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় - ০৫/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি - ১৮/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 আর্মি মেডিকেল কলেজ - ১১/১০/১৯ তারিখ।
👉🏿 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় – ৮ ও ৯ ডিসেম্বর
👉🏿 বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় – ২৯ নভেম্বর
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় – ৭ ডিসেম্বর
👉🏿 শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ১ ও ২ নভেম্বর
👉🏿 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
👉🏿 খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৩০/১১/১২ তারিখ।
[বি:দ্র: সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে।

Sep 16, 2019

এইচএসসি-তে আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। দুশ্চিন্তা না করে নার্সিং পেশায় ক্যারিয়ার গড়ুন।

🔰এইচএসসি-তে আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। দুশ্চিন্তা না করে নার্সিং পেশায় ক্যারিয়ার গড়ুন।
🔰এইচএসসি-তে আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। দুশ্চিন্তা না করে নার্সিং পেশায় ক্যারিয়ার গড়ুন।    🔄নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে নার্সিং ভর্তি নীতিমালা....    1⃣সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এখানে ন্যূনতম পাস যোগ্যতা ৩০ নম্বর পেতে হবে।    2⃣ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা:   #বিএসসি_ইন_নার্সিং: SSC: Minimum GPA: 2.5 , HSC: Minimum GPA: 2.5, SSC+HSC Total GPA minimum GPA: 6.00, SSC & HSC তে সায়েন্স গ্রুপ সাথে জীববিজ্ঞানে পাশ মার্ক থকতে হবে । এবং HSC পাসের সাল 2017/18/19 হতে হবে।    #ডিপ্লোমা_ইন_নার্সিং_সায়েন্স_এন্ড_মিডওয়াইফারী: SSC: Minimum GPA: 2.5, HSC: Minimum GPA: 2.5, SSC+HSC Total minimum GPA: 5.50 লাগবে আর, যেকোনো গ্রুপের থেকে আবেদন করতে পারবে।  এবং পাসের সাল SSC 2015/16/17 & HSC 2017/18/19 হতে হবে।    #ডিপ্লোমা_ইন_মিডওয়াইফারি:  SSC: minimum GPA: 2.5, HSC: minimum GPA: 2.5, SSC+HSC total minimum GPA: 5.50 লাগবে। যেকোনো গ্রুপের থেকে আবেদন করতে পারবে।  এবং পাসের সাল SSC 2015/16/17 & HSC 2017/18/19 হতে হবে।  .  📌 নার্সিং পেশা কি...???     প্রফেশন হিসেবে বিএসসি নার্সিং/সাবজেক্ট রিভিউ:     ★ বিএসসি নার্সিং    মেডিক্যাল রিলেটেড সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছা অনেকেরই থাকে। একসময় সুযোগ অনেক কম থাকলেও মেডিক্যাল রিলেটেড ফিল্ডে পড়াশুনার সুযোগ এখন যথেষ্ট আছে। এর মধ্যে নার্সিং অন্যতম।    বাংলাদেশে নার্সিং এ পড়ার এন্ট্রি রুট ২ টি:  ১। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং/ Midwifery:  ৩ বছরমেয়াদী কোর্স। উচ্চমাধ্যমিক শেষ পরে ভর্তি হওয়া যায়।    ২। বিএসসি নার্সিং(বেসিক): ৪ বছর মেয়াদী কোর্স। উচ্চমাধ্যমিক শেষ হওয়ার পরে ভর্তি হওয়া যায়। এছাড়া ইন সার্ভিস পোস্ট বেসিক পড়ানো হয়।     🔰সরকারি নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউট এ মোট আসন সংখ্যাঃ    1⃣বিএসসি ইন নার্সিং (৪ বছর) :  মোট কলেজ সংখ্যা: ১১ টি  মোট আসন: ১১০০ টি।  মেয়ে: ৯৯০ জন  ছেলে: ১১০ জন  এছাড়াও ৭ টি আর্মি নার্সিং কলেজ রয়েছে  মোট আসন: ৩৩৫ টি    2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি (৩ বছর) :  মোট ইনস্টিটিউট সংখ্যা: ৪৩ টি  মোট আসন: ২৫৮০ টি।  মেয়ে: 2540 জন  ছেলে: 40 জন  (Mitford, Khulna, Cumilla, Dinajpur, Faridpur পাঁচটি মেডিকেল কলেজ সংযুক্ত নার্সিং ইনস্টিটিউট)    3⃣ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি (৩ বছর) :  মোট ইনস্টিটিউট সংখ্যা: ৩৮ টি  মোট আসন: ৯৭৫ টি।  #শুধুমাত্র_মেয়েদের_জন্য।    🔰বেসরকারি নার্সিং কলেজ ও ইন্সটিটিউটে মোট আসন সংখ্যা:    1⃣বিএসসি ইন নার্সিং :  মোট কলেজ: ৫৮ টি  মোট আসন: ২৬৭০ টি    2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি:  মোট ইন্সটিটিউট: ১৬১ টি  মোট আসন: ৭৮২০ টি    3⃣ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি:  মোট ইন্সটিটিউট: ১৭ টি  মোট আসন: ৫৯০ টি    🔰ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনঃ    1⃣বিএসসি ইন নার্সিং    বাংলা: ১৫ নাম্বার  ইংরেজী: ১৫ নাম্বার  পদার্থ বিজ্ঞান: ১৫ নাম্বার  রসায়ন বিজ্ঞান: ১৫ নাম্বার  জীব বিজ্ঞান: ৩০ নাম্বার  সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার  মোট:১০০ নাম্বার    2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারিঃ    বাংলা: ২৫ নাম্বার  ইংরেজী: ২৫ নাম্বার  সাধারন বিজ্ঞান: ৪০ নাম্বার (৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই)  সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার  মোট:১০০ নাম্বার    3⃣ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি    বাংলা: ২৫ নাম্বার  ইংরেজী: ২৫ নাম্বার  সাধারন বিজ্ঞান: ৪০ নাম্বার (৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই)  সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার  মোট:১০০ নাম্বার।  #তথ্য_সূত্রঃ DGNM.GOV.BD    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

🔄নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে নার্সিং ভর্তি নীতিমালা....

1⃣সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এখানে ন্যূনতম পাস যোগ্যতা ৩০ নম্বর পেতে হবে।

2⃣ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা:
#বিএসসি_ইন_নার্সিং: SSC: Minimum GPA: 2.5 , HSC: Minimum GPA: 2.5, SSC+HSC Total GPA minimum GPA: 6.00, SSC & HSC তে সায়েন্স গ্রুপ সাথে জীববিজ্ঞানে পাশ মার্ক থকতে হবে । এবং HSC পাসের সাল 2017/18/19 হতে হবে।

#ডিপ্লোমা_ইন_নার্সিং_সায়েন্স_এন্ড_মিডওয়াইফারী: SSC: Minimum GPA: 2.5, HSC: Minimum GPA: 2.5, SSC+HSC Total minimum GPA: 5.50 লাগবে আর, যেকোনো গ্রুপের থেকে আবেদন করতে পারবে।
এবং পাসের সাল SSC 2015/16/17 & HSC 2017/18/19 হতে হবে।

#ডিপ্লোমা_ইন_মিডওয়াইফারি:
SSC: minimum GPA: 2.5, HSC: minimum GPA: 2.5, SSC+HSC total minimum GPA: 5.50 লাগবে। যেকোনো গ্রুপের থেকে আবেদন করতে পারবে।
এবং পাসের সাল SSC 2015/16/17 & HSC 2017/18/19 হতে হবে।
.
📌 নার্সিং পেশা কি...???

প্রফেশন হিসেবে বিএসসি নার্সিং/সাবজেক্ট রিভিউ:

★ বিএসসি নার্সিং

মেডিক্যাল রিলেটেড সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছা অনেকেরই থাকে। একসময় সুযোগ অনেক কম থাকলেও মেডিক্যাল রিলেটেড ফিল্ডে পড়াশুনার সুযোগ এখন যথেষ্ট আছে। এর মধ্যে নার্সিং অন্যতম।

বাংলাদেশে নার্সিং এ পড়ার এন্ট্রি রুট ২ টি:
১। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং/ Midwifery:
৩ বছরমেয়াদী কোর্স। উচ্চমাধ্যমিক শেষ পরে ভর্তি হওয়া যায়।

২। বিএসসি নার্সিং(বেসিক): ৪ বছর মেয়াদী কোর্স। উচ্চমাধ্যমিক শেষ হওয়ার পরে ভর্তি হওয়া যায়। এছাড়া ইন সার্ভিস পোস্ট বেসিক পড়ানো হয়।

🔰সরকারি নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউট এ মোট আসন সংখ্যাঃ

1⃣বিএসসি ইন নার্সিং (৪ বছর) :
মোট কলেজ সংখ্যা: ১১ টি
মোট আসন: ১১০০ টি।
মেয়ে: ৯৯০ জন
ছেলে: ১১০ জন
এছাড়াও ৭ টি আর্মি নার্সিং কলেজ রয়েছে
মোট আসন: ৩৩৫ টি

2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি (৩ বছর) :
মোট ইনস্টিটিউট সংখ্যা: ৪৩ টি
মোট আসন: ২৫৮০ টি।
মেয়ে: 2540 জন
ছেলে: 40 জন
(Mitford, Khulna, Cumilla, Dinajpur, Faridpur পাঁচটি মেডিকেল কলেজ সংযুক্ত নার্সিং ইনস্টিটিউট)

3⃣ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি (৩ বছর) :
মোট ইনস্টিটিউট সংখ্যা: ৩৮ টি
মোট আসন: ৯৭৫ টি।
#শুধুমাত্র_মেয়েদের_জন্য।

🔰বেসরকারি নার্সিং কলেজ ও ইন্সটিটিউটে মোট আসন সংখ্যা:

1⃣বিএসসি ইন নার্সিং :
মোট কলেজ: ৫৮ টি
মোট আসন: ২৬৭০ টি

2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি:
মোট ইন্সটিটিউট: ১৬১ টি
মোট আসন: ৭৮২০ টি

3⃣ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি:
মোট ইন্সটিটিউট: ১৭ টি
মোট আসন: ৫৯০ টি

🔰ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনঃ

1⃣বিএসসি ইন নার্সিং

বাংলা: ১৫ নাম্বার
ইংরেজী: ১৫ নাম্বার
পদার্থ বিজ্ঞান: ১৫ নাম্বার
রসায়ন বিজ্ঞান: ১৫ নাম্বার
জীব বিজ্ঞান: ৩০ নাম্বার
সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার
মোট:১০০ নাম্বার

2⃣ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারিঃ

বাংলা: ২৫ নাম্বার
ইংরেজী: ২৫ নাম্বার
সাধারন বিজ্ঞান: ৪০ নাম্বার (৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই)
সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার
মোট:১০০ নাম্বার

3⃣ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি

বাংলা: ২৫ নাম্বার
ইংরেজী: ২৫ নাম্বার
সাধারন বিজ্ঞান: ৪০ নাম্বার (৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই)
সাধারন জ্ঞান: ১০ নাম্বার
মোট:১০০ নাম্বার।
#তথ্য_সূত্রঃ DGNM.GOV.BD

➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

ঢাবির D ইউনিট এ চান্স পেতে তুমার করনীয়

পোস্টে আমার দেয়া পরামর্শ গুলো মেনে চলো।
.

প্রথমেই উদাহরণ হিসেবে নিজের প্রাক্তন রুমমেট কে উপস্থাপন করতে চাই. যে মাত্র কয়েকদিনের প্রস্তুতিতে চান্স পেয়েছিল ঢাবি D ইউনিটে।
.
তার মুখে একটি কথাই শুনেছিলাম,আমি কয়েকদিন পর চান্স না পেলে আমাকে কেউ ডেকেও জিজ্ঞেস করবে না। এখানে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলো যে তাকে চান্স পেতেই হবে। আমি নিজে যেখানে ভয় পেতাম আদৌ সে কি পারবে? তার কোন ভয় ছাড়াই একটি কথা ছিলো,পাবো কিনা জানি না পেতেই হবে সেটা জানি....। হ্যাঁ সে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছিলো শুধু তাই নয় অনেক ভালো একটি পজিশনে ও ছিলেন যা মুলত সে ভেবে রাখে নি।
.
সবল দিকঃ English এর ব্যাসিক ও কনসেপ্ট ভালো, তার জন্য D ইউনিট অনেক বেশি সহজ হবে। ইংলিশে বেসিক খারাপ হলেও খুব বেশি সমস্যা নেই।  এই বইটি ফলো করলেই হবে  :
English :-
#ছায়ামঞ্চ Competitive English
.
দৈনিক কিভাবে পড়বে???
এখন যে রুটিন হবে যেখানে আড্ডা, ফাও সময় নষ্ট  বলতে কোন শব্দ থাকবে না। সবাই ধারনা করে নিচ্ছ তাহলে কি পাগল হয়ে যাবো? হ্যাঁ সেটাই হতে হবে এখন। ঘুম নয় থাকবে রেস্ট, আর তার ব্যাপ্তি হবে মাত্র কয়েক ঘন্টা, যা পড়ার ফাকে ফাকে দিয়ে দিবে। বই পড়তে পড়তে টেবিলে ঘুমিয়ে যাবে. আর যেদিন থেকে এমন একটি অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে ঐদিন ভেবে নিবে তোমার কস্ট বৃথা যাচ্ছে না।....
.
এই সময় সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন নলেজ বা তথ্য নেওয়া। ঐ কাজটি ছাড়া আর কোন স্বার্থ নেই। নো সিংগেল একটিভিটি....
.
কত ঘন্টা বাংলা? কত ঘন্টা ইংলিশ? কত ঘন্টা সা জ্ঞান? এমন ধরাবাধা কোন টাইম নেই। যতক্ষণ টার্গেট ফিলাপ না হবে ততক্ষন পড়তে হবে।....
.
কোচিং না করলেও তোমার আহামরি ক্ষতি হবে না.

.
দৈনিক কত ঘন্টা পড়ব? এর কোন লিমিট নেই, দৈনিক হিসেব নয়, তোমার বই শেষ করার হিসেব. এক মুহুর্ত্ব ও নস্ট করা যাবে না।.. টাইম ধরে পড়ে বই শেষ হয় না যে যতই বলুক...

কথাগুলো বেশ তেতো তাই না?? হ্যাঁ তোমার অস্তিত্ব কে টিকিয়ে রাখতে তুমি ভালো স্টুডেন্ট ছিলে মানুষের কথা এড়িয়ে চলতে এইটুকু তেতো সত্যকে গ্রহন করতেই হবে... কারণ ঐ সুই টি তোমাকে বার বার খোচা দিবে, বার বা বিদ্ব্য করবে তোমার কলিজ্বা,যে " তুই না ভালো স্টুডেন্ট ছিলি? চান্স পাইলি না কেন?"....
.
একবার নিজের মনে গেথে ঐ সুই তোমাকে আঘাত করতে পারবে না।...
.
এই সময় কিছু সমস্যাও তোমাকে কুড়েকুড়ে খাবে যা হলো হতাশা, তখন নিজে নিজে নিজের হতাশা দূর করবে, অথবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবে. কথা বলবে, শেয়ার করবে কিছুকথা...।
.
আজ তোমাদের যারা ৪ পয়সার মুল্য দিচ্ছে না তারাই একদিন তোমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করবে "কেমন আছো?".....
.
তখন তোমার কেমন লাগবে? একবার কল্পনায় অনুভব করতে পারো কি???..যদি পারো তাহলে তুমি বুঝে গেলে তোমার কি করতে হবে?...।
.
 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে D ইউনিট এর পরিক্ষার দিন তুমি কথাগুলো মনে করবে, ইসস তখন যদি শুনতাম। আফসোস হবে. নিজের সব কিছু বাদ দিয়ে দিতে ইচ্ছা করবে। কিন্তু তখন চাইলেও পাবে না ফিরে, পাবে স্বপ্ন দেখার সাহস..।
.
বই সাজেশনঃ
.
General MATH এর জন্য ফলো করো " MATH SUMMIT  ". ছোট একটা বই। বাংলা ভার্সনের ৪০০ টা ম্যাথ করবা এই বই থেকে। ইংলিশ ভার্সনের গুলে করতে হবেনা। ২ দিনেই ম্যাথের প্রিপারেশন কমপ্লিট। বইটির দাম মাত্র ১০০ টাকা

.
ICT এর জন্য পড়বা ( BOSS ICT). দাম মাত্র ১০০ টাকা। ১.৫ দিন টানা পড়লেই এনাফ।
.
English :-
#ছায়ামঞ্চ Competitive English ( Written + MCQ - 200 TAKA)
.
#বাংলা :
#বাংলা_প্রান্তর ( WRITTEN + MCQ - 200 TAKA)
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের D ইউনিটের শেষ মুহুর্তের " বাংলা " Written + MCQ প্রস্তুতি :

#১ম_ধাপ: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিক্স।
১/ সন্ধি
২/ উপসর্গ
৩/ সমাস
৪/ প্রত্যয়
৫/ পদ প্রকরণ
৬/ শব্দের উৎপত্তি
৭/ ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান
৮/ যতি বা ছেদ চিহ্ন
৯/ বানানশুদ্ধি
১০/ কারক

এখানে ১০ টি টপিক্স দেওয়া আছে, এগুলো ই ব্যাকরণের প্রাণ। যেখান থেকে ৫-৬টি প্রশ্ন থাকবেই মাস্ট। এর বেশিও থাকিতে পারে। এগুলোতে কোন দুর্বলতা রাখা যাবেনা কিছুতেই। অনেকে যদি অল্প পড়ে ভাল করতে চান তাইলে শুধু এই টপিকগুলো ই পড়েন।
.
*** যাদের উদ্দেশ্য যেকোন উপায়ে চান্স পায়লেই চলবে তারা এই টপিকগুলোর বাইরে ব্যাকরণের আর কোন টপিক না পড়লেও চলবে।
.
বাংলা ব্যাকরণ অংশ খুব সহজভাবে লেখা আছে " বাংলা প্রান্তর " বইয়ে।
.
#২য়_ধাপ:

* এক কথায় প্রকাশ
*পারিভাষিক শব্দ
*প্রবাদ-প্রবচন
*সমার্থক শব্দ
*বিপরীত শব্দ
*বাগধারা

শব্দভিত্তিক এই অংশের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এখান থেকে ৫-৬ টি প্রশ্ন থাকবেই। আর এগুলো পুরোপুরি কমন পাবার সম্ভাবনা নেই। তবে " বাংলা প্রান্তর " বই থেকে ৫-৬টাও কমন পেতেও পারো।  যেখান থেকেই পড়োনা কেন ভাল করে পড়বে এই টপিকগুলো। আমার সাজেশন থাকবে " বাংলা প্রান্তর " বই থেকে পড়ো। বাকি ১-২টা প্রশ্ন আনকমন ই আসবে। পারলে আন্সার করবে না পারলে দরকার নেই।
.
" বাংলা প্রান্তর " বইয়ে দেয়া সারমর্ম ও সারাংশ সহ সকল রিটেন পার্ট অবশ্যই মুখস্থ করে ফেলবা।
.
শর্টকাটে অল্প সময়ে Written + MCQ এর প্রিপারেশন নেয়ার জন্য এর চেয়ে ভালো বই আর বাজারে নেই।

.
এবার আসি বাংলা ১ম পত্রে :
.
প্রথমে " বাংলা প্রান্তর " বইয়ের ৯ নং ও ১০নং পেইজ খুব ভালোভাবে মুখস্থ করে ফেলো, খুবই কাজের জিনিস। তারপর এই বইয়ের সকল রিটেন প্রশ্নোত্তর গুলো পড়ে ফেলো। তারপর লেখক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও শব্দার্থ গুলো পড়বা৷ এগুলো শেষ হলে এবার নজর দাও কবিতার গুরুত্বপূর্ণ লাইনে৷ বইয়ে দাগানো আছে। সে লাইনগুলো মনে রাখবা কোন লাইনটা কোন কবিতার এবং সেই কবিতাটা কার লেখা৷
.
এইবার HSC বাংলা ১ম পত্র বোর্ড বইটা হাতে নাও। HSC সিলেবাসে থাকা গদ্য ও পদ্য গুলোর মূলভাব মুখস্থ করে ফেলো। পারলে গল্প কবিতাগুলো ১ বার রিডিং পড়ে যেও। কাজে লাগবে।
.
#GK : ( MCQ) 
#তথ্য_জগৎ; স্পেশাল সাজেশন্স+১০০টি মডেল টেস্ট
#সাম্প্রতিক_ক্যাপ্টেন
.
Written GK এর জন্য :
ছায়ামঞ্চ Written GK  ( দাম - ১২০ টাকা)
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের D ইউনিটের রিটেন জিকে(বিশ্লেষনধর্মী)-১৫ নাম্বার। অনেকেই জানতে চেয়েছো #বিশ্লেষণ ধর্মীটা আবার কি?
- কোন একটা ঘটনার পটভুমি বা কারণ কিংবা যা ই হোক এগুলা নিয়া লিখতে বলা হবে। কোনো অপ্রাসঙ্গিক কথা লিখা যাবেনা। যা জানতে চেয়েছে শুধু তা লিখতে হবে। বানিয়ে বানিয়ে বেশি লিখলে স্যাররা বিরক্ত হন। 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের D ইউনিটের বিশ্লেষণধর্মী লিখিত সাধারণ জ্ঞান এর সেরা বই " ছায়ামঞ্চ Written GK " আজ থেকে ফার্মগেট ও নীলক্ষেতের সকল লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছে। বইটির দাম মাত্র - ১২০ টাকা। ঢাবি D ইউনিটের বিশ্লেষণধর্মী Written GK তে বেস্ট প্রিপারেশন নিতে দ্রুত সংগ্রহ করো " ছায়ামঞ্চ Written GK " বইটি।
.
ঢাবি D ইউনিটে ১৪০+ পেলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা ই বেশি।
.
ব্যার্থতা নিজের সৃস্টি, অন্য কারো সৃস্টি নয়।
.
অনেক অনেক শুভকামনা। ❤

Sep 15, 2019

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার “গ” ইউনিটের প্রশ্নের সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের “গ” ইউনিটে ভর্তি ইচ্ছুক ভাইয়া ও আপুরা, শুভেচ্ছা নিও। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো তোমাদের ভর্তি পরীক্ষা। তোমরা হয়তো এখন বেশ টেনশন এর মধ্যে আছো তোমাদের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে। আশা করি তোমাদের সবার পরীক্ষা ভালো হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত একটু মানষিক চাপে কাটবে তোমাদের সময়। তোমরা অনেকেই হয়তো এখন আজকের পরীক্ষার প্রশ্নের সমাধান খুজছো। তোমাদের সুবিধার্থে প্রশ্নপত্রের সমাধান পোস্ট করে দিলাম। আশা করি তোমাদের উপকারে আসবে।

প্রকাশ হওয়া মাত্র ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল পাবেন এই লিঙ্কে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের “গ” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন

সেট – B













ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে গ ইউনিট এর প্রশ্নের সমাধানঃ
বাংলা সমাধানঃ
১. আধুনিক বাংলা কবিতায় ভোরের পাখি: বিহারী লাল
২. নিচের কোনটি সঠিক বানান: পরিণয়
৩. কোনটি দ্বিগু সমাস নয়: তেপায়া, দশগজি
৪.আঠারো বছর বয়সে নেই: সংশয়
৫.  দীনবন্ধু  মিত্রের নীলদর্পণ প্রথম প্রকাশিত কোথা থেকে: ঢাকা থেকে
৬. সন্নিকৃষ্ট এর বিপরীত শব্দ-বিপ্রকৃষ্ট
৭. এক স্হান থেকে অন্য স্হানে ঘুরে ঘুরে জীবন যাপন করে যে- এক কথায় প্রকাশ-যাযাবর
৮. টেঁকে গোঁজা বাগধারাটির অর্থ-নিজের পকেট ভাড়ি করা
৯. মেঘনাদের পিতামহীন নাম কি-নিকষা
১০. নিচের কোনটি শুদ্ধ শব্দ-অন্তঃস্হল
১১. নিচের কোনটির পুরুষবাচক লিঙ্গ  নেই-এয়ো
১২. অপরিচিতা গল্পে  অনুপমের বাবার পেশা-ওকালতি
১৩. “ধান্য তার বসুন্ধরা যার” উক্তিটি আছে যে রচনায় -চাষার দুক্ষু
১৪. চশমা শব্দটি কোন  ভাষার শব্দ-ফারসি
১৫. আহ্বান এর  প্রমিত উচ্চারণ-আওভান্
১৬. উদক এর সমার্থক শব্দ-জল
১৭. মোতাহার হোসেন চৌধুরী  কোন আন্দোলনের জড়িত  ছিলেন-বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে
১৮. উপর্যুক্ত এর সন্ধি: উপরি+উক্ত
১৯. নুরুলদীনের বাড়ি কোথায় ছিল-রংপুর
২০. তামার বিষ বাগধারাটির অর্থ-অর্থের কু প্রভাব
ইংরেজি সমাধানঃ
Set-B
26. a ( named after)
27. a ( arrive at)
28. b (divide into)
29. b(familiar for)
30. c ( motivator)
31. b ( deserves)
32. d ( lose)
33. b ( embarrassing)
34. b ( cow:tether)
35. d ( chisel:sculpture)
36. b (accelerate)
37. b ( paper is made from)
38. b ( description of a disagreeable……
39. c (insignificant)
40. d ( impartial)

Business Principles:

১. একটি কোম্পানির নাম বা লোগো সম্পর্কিত অধিকার যে আইন দ্বারা পরিচালিত হয়-ট্রেডমার্ক আইন
২. যে নেতা কর্মীদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয় এবং কর্মীদের কাজে কোনরূপ কর্তৃত্ব আরোপ করে না, তাকে বলে-গণতান্ত্রিক নেতা
৩. জোড়া মই শিকল নীতি’ কোনটির সাথে সম্পর্কিত- কর্তৃত্ব অর্পণ ( প্রতিষ্ঠানের উপর থেকে শুরু করে একেবারে নিচ পর্যন্ত প্রতিটি ব্যক্তি, বিভাগ ও উপবিভাগকে একে অন্যের সাথে যুক্ত করে দেওয়াকে জোড়া মই শিকল বলা হয়।)
৪.
বাকি সমাধান আসছে…